১)
আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইতিহাস বলি । ৭১ এর আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের সবথেকে সাহসী রাজনৈতিক সিনেমা হচ্ছে "জীবন থেকে নেয়া"। ৭১ এর নাকের ডগায় বসে ৭০ সালে এই মাস্টারপিস তৈরী করেন জহির রায়হান। শুধু এই সিনেমা তৈরীর জন্যেই পাকিস্তান সরকারের হিট লিস্টে উঠে যান তিনি। বুকের মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেয়ার মত সিনেমা। প্রেমে এবং দ্রোহ, আহ! রোমান্টিসিজম। পূর্ব বাংলায় এর মত অসাধারণ সিনেমা আর তৈরী হয়নি। ৭০ সাল থেকে নিয়ে অন্তত ২০১০ পর্যন্ত, এই সিনেমাটা ৩/৪ বার করে দেখেনি এমন কোন বাংলাদেশী নেই। বাংলাদেশের জন্ম নিয়ে এর চাইতে দ্ব্যর্থক কোন সিনেমা নেই৷ শেখ মুজিবের ৭ মার্চ ভাষনের সমতুল্য একটা সিনেমা। জহির রায়হানকে মেরে ফেলার পরে আর আসলে এত ভালো এক্সপেরিমেন্টাল কাজ আর কেউ করতে পারেননি। সিনেমা নিয়ে এত জ্ঞানই এদিকে আর কারো ছিল না। ১৪ ডিসেম্বর জহির রায়হান বেঁচে গেছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাথে ছিলেন বিধায়। কিন্তু ৭২ এর জানুয়ারি ঠিক তাকে মেরে রেখে গেল শুয়োরের বাচ্চারা, শেষ কামড়ে বাংলাদেশের সম্ভবত সব থেকে বড় ক্ষতিটা করে দিয়ে গেল।
https://m.youtube.com/watch?v=EFO96ZhyuX0
তো এখানে একটা সিনে 'আমার সোনার বাংলা' পুরোটা ঢোকানো হয় ৩/৪ জনে সমবেত। অসাধারণ প্লেসমেন্ট, এর চাইতে ভালো হতেই পারে না।
আচমকা যখন পাকিস্তানী আর্মি ম্যানিয়াক হয়ে গেল কয়েকমাস পরেই, ঠান্ডা মাথায় নিজের দেশের লোকের উপরে ট্যাংক মার্চ করে এক রাতে ২৫/৩০ হাজার মানুষ খুন করে ফেলা, পুরো আর্মি এমন ম্যানিয়াক কি করে হয় কে জানে। তখন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের সাথে এই গানের চাইতে বেটার ম্যাচ কিছু ভাবার কোন কারণ দেখেননি। তাই সেই তখন থেকে এই গানের প্রথম অংশ জাতীয় সংগীত।
আর কোন কবি গীতিকারের গান জাতীয় সংগীত হতে পারবেনা কেন সেটা প্রশ্ন না৷ এই গানের চাইতে দ্ব্যর্থকতা আর কোন গানের সাথে বাংলাদেশের নেই। তেমন সৃষ্টি হয়নি।
তাছাড়া ভাবা যায়? পূর্ব বাংলার সেই মনের মানুষ গগন হরকরার সুরে, গোটা বাংলার মনের মানুষ রবীন্দ্রনাথের কথা। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আর কি হতে পারে আসলে?
চেঞ্জ করতেই হবে কেন? ঠিক কোন কারণে? এর চাইতেও বেটার আর্গুমেন্ট আছে? সিরিয়াসলি?
২)
জেমস আর প্রিন্স মাহমুদের বাংলাদেশে একটা অযথা পলিটিকাল কারেক্টনেসের গান। আইউব বাচ্চু একটা বাংলাদেশ গেয়েছিলেন। জেমসেরও একটা বাংলাদেশ না হলে চলছিল না।
আইউব বাচ্চুর বাংলাদেশ ছিল, শামসুর রাহমানের কবিতা "আমার বাংলাদেশ"। মিষ্টিই একটা সুর, আর শামসুর রাহমান নিঃসন্দেহে পূর্ব বাংলার সবথেকে মিষ্টি ভাষার কবি। কিন্তু বড় কঠিন গান, আর বাচ্চুও খুব বাজে ভোকাল একেকটা গানে। প্রিন্স মাহমুদ আর জেমস মিলে তার থেকে বেটার কিছু তৈরী করতে চাইলেন। কিন্তু মুজিব জিয়া ভাষানি সোহরয়ার্দি সব একাকার করে রাজনীতি ঠিক রাখলেন। এ
র্যান্ডম একটা কিছু ধরে দিলেই তো হয়ে যায়না, তাইনা?
আগে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইতিহাস বলি । ৭১ এর আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের সবথেকে সাহসী রাজনৈতিক সিনেমা হচ্ছে "জীবন থেকে নেয়া"। ৭১ এর নাকের ডগায় বসে ৭০ সালে এই মাস্টারপিস তৈরী করেন জহির রায়হান। শুধু এই সিনেমা তৈরীর জন্যেই পাকিস্তান সরকারের হিট লিস্টে উঠে যান তিনি। বুকের মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেয়ার মত সিনেমা। প্রেমে এবং দ্রোহ, আহ! রোমান্টিসিজম। পূর্ব বাংলায় এর মত অসাধারণ সিনেমা আর তৈরী হয়নি। ৭০ সাল থেকে নিয়ে অন্তত ২০১০ পর্যন্ত, এই সিনেমাটা ৩/৪ বার করে দেখেনি এমন কোন বাংলাদেশী নেই। বাংলাদেশের জন্ম নিয়ে এর চাইতে দ্ব্যর্থক কোন সিনেমা নেই৷ শেখ মুজিবের ৭ মার্চ ভাষনের সমতুল্য একটা সিনেমা। জহির রায়হানকে মেরে ফেলার পরে আর আসলে এত ভালো এক্সপেরিমেন্টাল কাজ আর কেউ করতে পারেননি। সিনেমা নিয়ে এত জ্ঞানই এদিকে আর কারো ছিল না। ১৪ ডিসেম্বর জহির রায়হান বেঁচে গেছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাথে ছিলেন বিধায়। কিন্তু ৭২ এর জানুয়ারি ঠিক তাকে মেরে রেখে গেল শুয়োরের বাচ্চারা, শেষ কামড়ে বাংলাদেশের সম্ভবত সব থেকে বড় ক্ষতিটা করে দিয়ে গেল।
জেমস আর প্রিন্স মাহমুদের বাংলাদেশে একটা অযথা পলিটিকাল কারেক্টনেসের গান। আইউব বাচ্চু একটা বাংলাদেশ গেয়েছিলেন। জেমসেরও একটা বাংলাদেশ না হলে চলছিল না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন