দূরত্ব এবং নৈকট্য বড়ই হেজিমনিক ব্যাপার স্যাপার। কোনটা যে দূরত্ব আর কোনটা যে নৈকট্য বুঝে ওঠাই যেন মুশকিল হয়ে যায় অনেকসময়। একই ঘরে পাশাপাশি নি:শ্বাসের দূরত্বে থেকেও শ্রেফ মানসিক সংযোগের অভাবে নৈকট্যবোধ বলে কিছুই থাকে না, বাড়তে থাকে দূরত্ব, শরীরটাও টানে না যেন শারীরিক সম্পর্কে। আবার, দূরে বহু দূরে থেকেও শুধু মানসিক সংযোগই নিয়ে আসে ছুঁয়ে ফেলার মত নিকটে, চাইলেই যেন চোখ বুঁজে জড়িয়ে ধরা যায়। অনুভুতি এবং আবেগের মিল অনুভব করাটাই বোধহয় আসল ক্যাটালিস্ট। বা হয়তো চিন্তার ওয়েভলেন্থে একই রকম অনুরণন।
আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখা, মেনে নিয়ে মানিয়ে চলার পার্সোনাল স্পেসবিহীন সম্পর্ক, হাজার চেষ্টা করেও নিজেকে বোঝাতে না পারা শুধুই দায়িত্ব এবং কর্তব্যের সম্পর্ক, কাছাকাছি রেখেও সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়তে পারে না। সম্পর্ক আরো জটিল হয়ে যায় যখন বছর ১০ এক ছাদের নিচে বাস করেও একজন আরেকজনকে চিনেই উঠতে পারে না, কম্প্রোমাইজ করতে গিয়ে নিজেকেই হারিয়ে ফেলা হয়। দূরত্ব, দূরত্ব, দূরত্ব, চুকে যায় তুচ্ছ কাগুজে সম্পর্কের বাঁধন।
আবার চিঠি, টেক্সট বা ভয়েস ওভারে গড়ে ওঠা অনুভবের সম্পর্ক, চুড়ান্ত মানসিক সংযোগ গড়ে ওঠা মিষ্টি সুখানুভুতি একটা সম্পর্ককে একটু একটু করে সাজিয়ে তোলে। হয়তো পরিণতিহীনতার পারিপার্শ্বিকতা থাকে, কিন্তু তবুও সময়ের হাতে সময়কে ছেড়ে দিয়ে কাছে আসা, কাছে, আরো আরো কাছে। মনের মাঝে হাত বাড়িয়ে মনকে ছোঁয়া। শেয়ার করা ভালোলাগা গানে আবেগ ছুঁয়ে দেয়া। হঠাৎ অস্ফুট কোন ফিসফিস কথায় বুকের মাঝে মোচড় দিয়ে ওঠা নৈকট্য। পাগলের মত একে অপরকে কাছে পেতে চাওয়া। এত, এত দূরে, তবু যেন সব সময় ঘিরে থেকে ছুঁয়ে দেয়ার নৈকট্য।
দূরত্ব এবং নৈকট্যের আপেক্ষিকতায় কি সকলেই হাবুডুবু খায়? কে জানে?
আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখা, মেনে নিয়ে মানিয়ে চলার পার্সোনাল স্পেসবিহীন সম্পর্ক, হাজার চেষ্টা করেও নিজেকে বোঝাতে না পারা শুধুই দায়িত্ব এবং কর্তব্যের সম্পর্ক, কাছাকাছি রেখেও সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়তে পারে না। সম্পর্ক আরো জটিল হয়ে যায় যখন বছর ১০ এক ছাদের নিচে বাস করেও একজন আরেকজনকে চিনেই উঠতে পারে না, কম্প্রোমাইজ করতে গিয়ে নিজেকেই হারিয়ে ফেলা হয়। দূরত্ব, দূরত্ব, দূরত্ব, চুকে যায় তুচ্ছ কাগুজে সম্পর্কের বাঁধন।
আবার চিঠি, টেক্সট বা ভয়েস ওভারে গড়ে ওঠা অনুভবের সম্পর্ক, চুড়ান্ত মানসিক সংযোগ গড়ে ওঠা মিষ্টি সুখানুভুতি একটা সম্পর্ককে একটু একটু করে সাজিয়ে তোলে। হয়তো পরিণতিহীনতার পারিপার্শ্বিকতা থাকে, কিন্তু তবুও সময়ের হাতে সময়কে ছেড়ে দিয়ে কাছে আসা, কাছে, আরো আরো কাছে। মনের মাঝে হাত বাড়িয়ে মনকে ছোঁয়া। শেয়ার করা ভালোলাগা গানে আবেগ ছুঁয়ে দেয়া। হঠাৎ অস্ফুট কোন ফিসফিস কথায় বুকের মাঝে মোচড় দিয়ে ওঠা নৈকট্য। পাগলের মত একে অপরকে কাছে পেতে চাওয়া। এত, এত দূরে, তবু যেন সব সময় ঘিরে থেকে ছুঁয়ে দেয়ার নৈকট্য।
দূরত্ব এবং নৈকট্যের আপেক্ষিকতায় কি সকলেই হাবুডুবু খায়? কে জানে?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন