আপ্নেরা তো জানেন ২০১১’তে ছাইনটিশরা কেপলার-২০এফ নামে আমগো দুইন্যার সাথে মিলে এমন একখান গ্রহ খুঁইজা বাইর করছে। তো হেইডা কুনু কতা না, কতা হইলো, গত বচ্ছর নাসা থিকা আমারে ফুন মাইরা কইলো, “ব্যাডা, হারাদিন তো গরেই বইয়া তুইলা তুইলা আডি বান্দ, কেপলারে এট্টা লুক পাডামু, যাইবা?”
জিগাইলাম, “টেকাটুকা কত দিবা?”
কইলো, “আগেই টেকার কতা কস ক্যালা। তুই ফারাবী নি?
ব্যাডা চিন্তা কইরা দেখ, তারেকানু পর্যন্ত অহনো কেপলারে যাইতারে নাই। তুই ব্যাডা যাবি, দুই তিন মাস মৌজ মাস্তি করবি, আইয়া বই লিখবি, আমার কেপলার জীবন। ব্যাস লালে লাল, শাহজালাল। আর যদি ঐখানে বইয়া নিজেরে আদম বইলা চালায়া দিতারো তাইলে ধর তোর চাইর ছক্কা হই হই”
ভাইবা দেখলাম বিষয়ডা খারাপ না। দুইডা শর্ত দিয়া রাজি হয়া গেলাম,
১) আমারে কেপলার টু আর্থ নেট কানেকশন দিতে হইবো (নাইলে ট্যাটাস দিমু কেম্নে)
২) আমার লগে পর্যাপ্ত গুল্লিফ দিতে হইবো (কারণ যৈবন একখান গুল্লিফ সিগারেট)।
যাই হোক টেরেনিংয়ে এক ব্যাডা আমারে বুঝাইলো, কেম্নে টিউবে কইরা খাইতে হবে, কেম্নে ভাইসা ভাইসা ইয়ে করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। জিগাইলাম, “বিড়ি খামু কেম্নে?”, আমারে বায়ুশুণ্য, অভিকর্ষ, অক্সিজেন ভগিজগি বুঝায়া দিলো। তাও একবার জিগাইছিলাম, মেশিন দিয়া বিড়ির ধুমা টিউবে ঢুকানি যায় কিনা, ব্যাডায় আমার দিকে এম্নে চাইলো, আর কতা কৈতে সাহস হইলো না। যাউকগা, দুই মাসের জার্নির পরে আমার রকেট গিয়া আমারে কেপলারে নামায়া দিলো।
দুই মাস বিড়ি খাইতারি নাই। তো রকেটের তে নাইমা, বিড়িডা ধরায়া কইষা একটা টান দিতে পারলাম না, নাকে আইলো কিমুন জানি চেনা চেনা গন্ধ। একটু তব্দা খাইয়া ইতিউতি চাইয়া দেহি, ইট্টু দূরে কালা চশমা চৌক্ষে, ছেঁড়া গেঞ্জি গায়ে, মুছওলা এক ব্যাডা একখান ভাঙ্গা সুটকেসের উপ্রে বইয়া হাতের গেলাসের দিকে চাইয়া রইছে। হের দিকে চাইতেই জিগাইলো , “রাম চলবে নাকি, ব্রাদার?”
আমি তো লগেলগেই চিন্যা ফালাইসি, আমগো তারেইক্কার বাপে। জিগাইলাম, “আরে! জেনারেল স্যার, আপ্নে এইহানে ক্যালা? আপ্নেরে না মঞ্জুর সাবে গুয়া......, ইয়ে মানে আপ্নে না শহীদ হইছিলেন?”
জোরে শ্বাস ছাইড়া কইলো, “আও, বও, রাম রুম খাও, কইতাছি”। গেলাস হাতে লইয়া বইলাম হের পাশে।
সারে শুরু করলো দুঃখের গফ,
“ বেস্তে তো সুখেই আছিলাম ৭২ হুরী নিয়া, আমারে স্পেশাল খাতির করা হইতো, আমি আবার বাংলাদেশের প্রথম ইসলাম প্রতিষ্ঠাকারী কিনা। হিটলার সাবের হেরেম পাশেই আছিলো। হের লগে আমার বেশ খাতিরও আছিলো, আমরা বদলা বদলি খেলতাম। কিন্তুক তুমি যাও স্বর্গে, তুমার কপাল যায় মর্গে, গুলাবী আর তারেইক্কা মিল্যা যা বাজাইলো।
একদিন ঘুম থিকা উইঠা দেহি, আমার পাশে মাত্র ৩২ টা হুরী। সার্ভিস সেন্টারে কল দিয়া জিগাইলাম, মামা কাহিনী কি? কইলো, গুলাবী কইছে তুই নিহি স্বাধীনতার ঘুষক, এইডা তুর জুরিমানা। মাইনা নিলাম, কিছু পাইতে গেলে কিছু ছাড়তে হয়।
কয়দিন পরে ঘুম ভাংতেই দেহি পাশে মাত্র ২ জন। আবার ফুন দিলাম, কইলো, তুর বেডি কইছে তুই নাকি বাংলাদেশের পরথম বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা, এইডা তুর জুরিমানা। মাইনা নিলাম।
আর কয়দিন পরে ঘুম ভাইঙ্গা দেহি পাশে কেউ নাই। সার্ভিস কইলো, আবাগীর বেডি কইছে আমি নাকি বাংলাদেশের সংবাদপত্রের রুদ্ধ কণ্ঠের মুক্তিদাতা, জরিমানা গুনলাম। হেতেও পব্লেম আছিলো না, হপ্তা দুই হপ্তায় হিটলার সাবে আমারে দিয়া স্বাদ বদল কইরা আমারে হের তে দুই একটা ধার দিতো
হের পরে একদিন আমার পিছে লাথথি মাইরা আমারে বেস্তের তে বাইর কইরা দিলো। জিগাইলাম, এইবার কি? কইলো, তারেইক্কা কইছে জজ মিয়া।
আমারে রাখলো দুজখে, পাইলাম মেরেলিন আর অস্ট্রেলিয়ান রাম। কি আর কমু, মালডা যা আছিলো রে মুমিন।” এই বইলা গেঞ্জীডা তুইলা জেনারেল সাবে চৌক্ষের পানি মুইছা এক ঢোকে গেলাস খালি কইরা ফালাইলো। কুন মালের কথা কইতাছে জিগামু ভাবছিলাম, বেয়াদবী হইতারে ভাইবা আর জিগাই নাই
আমি জিগাইলাম, “সারে তাইলে এইখানে ক্যান?”
জেনারেল সাবে হাউমাউ কইরা কাইন্দা দিয়া কইলো, “সব দুষ আমার রে মুমিন, সব দুষ আমার। একদিন মৌজ একটু বেশী হইয়া গেছিলো। মেরেলিনের লগে রাউন্ড শেষ কইরা, রামে চুমুক দিয়া, চিল্লায়া কইছিলাম, আই উইল মেক হেল ডিফিকাল্ট ফর ডেভিলস”
সারের দুক্কের কথা শুইনা আমার কইলজা ফাইট্টা গেল। সান্তনা দিয়া কইলাম, “সারগো, দুক্কু কইরেন না। কিছু হারাইলে কিছু পাওয়াও যায়। আমি ফির্যা গিয়া ব্যাকটিরে কমুনে, কুমারী কেপলারের আপ্নেই পয়লা”
জিগাইলাম, “টেকাটুকা কত দিবা?”
কইলো, “আগেই টেকার কতা কস ক্যালা। তুই ফারাবী নি?
ব্যাডা চিন্তা কইরা দেখ, তারেকানু পর্যন্ত অহনো কেপলারে যাইতারে নাই। তুই ব্যাডা যাবি, দুই তিন মাস মৌজ মাস্তি করবি, আইয়া বই লিখবি, আমার কেপলার জীবন। ব্যাস লালে লাল, শাহজালাল। আর যদি ঐখানে বইয়া নিজেরে আদম বইলা চালায়া দিতারো তাইলে ধর তোর চাইর ছক্কা হই হই”
ভাইবা দেখলাম বিষয়ডা খারাপ না। দুইডা শর্ত দিয়া রাজি হয়া গেলাম,
১) আমারে কেপলার টু আর্থ নেট কানেকশন দিতে হইবো (নাইলে ট্যাটাস দিমু কেম্নে)
২) আমার লগে পর্যাপ্ত গুল্লিফ দিতে হইবো (কারণ যৈবন একখান গুল্লিফ সিগারেট)।
যাই হোক টেরেনিংয়ে এক ব্যাডা আমারে বুঝাইলো, কেম্নে টিউবে কইরা খাইতে হবে, কেম্নে ভাইসা ভাইসা ইয়ে করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। জিগাইলাম, “বিড়ি খামু কেম্নে?”, আমারে বায়ুশুণ্য, অভিকর্ষ, অক্সিজেন ভগিজগি বুঝায়া দিলো। তাও একবার জিগাইছিলাম, মেশিন দিয়া বিড়ির ধুমা টিউবে ঢুকানি যায় কিনা, ব্যাডায় আমার দিকে এম্নে চাইলো, আর কতা কৈতে সাহস হইলো না। যাউকগা, দুই মাসের জার্নির পরে আমার রকেট গিয়া আমারে কেপলারে নামায়া দিলো।
দুই মাস বিড়ি খাইতারি নাই। তো রকেটের তে নাইমা, বিড়িডা ধরায়া কইষা একটা টান দিতে পারলাম না, নাকে আইলো কিমুন জানি চেনা চেনা গন্ধ। একটু তব্দা খাইয়া ইতিউতি চাইয়া দেহি, ইট্টু দূরে কালা চশমা চৌক্ষে, ছেঁড়া গেঞ্জি গায়ে, মুছওলা এক ব্যাডা একখান ভাঙ্গা সুটকেসের উপ্রে বইয়া হাতের গেলাসের দিকে চাইয়া রইছে। হের দিকে চাইতেই জিগাইলো , “রাম চলবে নাকি, ব্রাদার?”
আমি তো লগেলগেই চিন্যা ফালাইসি, আমগো তারেইক্কার বাপে। জিগাইলাম, “আরে! জেনারেল স্যার, আপ্নে এইহানে ক্যালা? আপ্নেরে না মঞ্জুর সাবে গুয়া......, ইয়ে মানে আপ্নে না শহীদ হইছিলেন?”
জোরে শ্বাস ছাইড়া কইলো, “আও, বও, রাম রুম খাও, কইতাছি”। গেলাস হাতে লইয়া বইলাম হের পাশে।
সারে শুরু করলো দুঃখের গফ,
“ বেস্তে তো সুখেই আছিলাম ৭২ হুরী নিয়া, আমারে স্পেশাল খাতির করা হইতো, আমি আবার বাংলাদেশের প্রথম ইসলাম প্রতিষ্ঠাকারী কিনা। হিটলার সাবের হেরেম পাশেই আছিলো। হের লগে আমার বেশ খাতিরও আছিলো, আমরা বদলা বদলি খেলতাম। কিন্তুক তুমি যাও স্বর্গে, তুমার কপাল যায় মর্গে, গুলাবী আর তারেইক্কা মিল্যা যা বাজাইলো।
একদিন ঘুম থিকা উইঠা দেহি, আমার পাশে মাত্র ৩২ টা হুরী। সার্ভিস সেন্টারে কল দিয়া জিগাইলাম, মামা কাহিনী কি? কইলো, গুলাবী কইছে তুই নিহি স্বাধীনতার ঘুষক, এইডা তুর জুরিমানা। মাইনা নিলাম, কিছু পাইতে গেলে কিছু ছাড়তে হয়।
কয়দিন পরে ঘুম ভাংতেই দেহি পাশে মাত্র ২ জন। আবার ফুন দিলাম, কইলো, তুর বেডি কইছে তুই নাকি বাংলাদেশের পরথম বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা, এইডা তুর জুরিমানা। মাইনা নিলাম।
আর কয়দিন পরে ঘুম ভাইঙ্গা দেহি পাশে কেউ নাই। সার্ভিস কইলো, আবাগীর বেডি কইছে আমি নাকি বাংলাদেশের সংবাদপত্রের রুদ্ধ কণ্ঠের মুক্তিদাতা, জরিমানা গুনলাম। হেতেও পব্লেম আছিলো না, হপ্তা দুই হপ্তায় হিটলার সাবে আমারে দিয়া স্বাদ বদল কইরা আমারে হের তে দুই একটা ধার দিতো
হের পরে একদিন আমার পিছে লাথথি মাইরা আমারে বেস্তের তে বাইর কইরা দিলো। জিগাইলাম, এইবার কি? কইলো, তারেইক্কা কইছে জজ মিয়া।
আমারে রাখলো দুজখে, পাইলাম মেরেলিন আর অস্ট্রেলিয়ান রাম। কি আর কমু, মালডা যা আছিলো রে মুমিন।” এই বইলা গেঞ্জীডা তুইলা জেনারেল সাবে চৌক্ষের পানি মুইছা এক ঢোকে গেলাস খালি কইরা ফালাইলো। কুন মালের কথা কইতাছে জিগামু ভাবছিলাম, বেয়াদবী হইতারে ভাইবা আর জিগাই নাই
আমি জিগাইলাম, “সারে তাইলে এইখানে ক্যান?”
জেনারেল সাবে হাউমাউ কইরা কাইন্দা দিয়া কইলো, “সব দুষ আমার রে মুমিন, সব দুষ আমার। একদিন মৌজ একটু বেশী হইয়া গেছিলো। মেরেলিনের লগে রাউন্ড শেষ কইরা, রামে চুমুক দিয়া, চিল্লায়া কইছিলাম, আই উইল মেক হেল ডিফিকাল্ট ফর ডেভিলস”
সারের দুক্কের কথা শুইনা আমার কইলজা ফাইট্টা গেল। সান্তনা দিয়া কইলাম, “সারগো, দুক্কু কইরেন না। কিছু হারাইলে কিছু পাওয়াও যায়। আমি ফির্যা গিয়া ব্যাকটিরে কমুনে, কুমারী কেপলারের আপ্নেই পয়লা”
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন