মনে আছে? যখন তোমার সাথে আমার দেখা হলো, তুমি স্বপ্ন দেখতে
"আলো-আঁধারিতে নগ্ন তুমি শুয়ে আছো, শত শত নোংরা হাত এগিয়ে আসছে তোমার দিকে, সেই হাতগুলোর পেছনে শত শত কদর্য মুখ"
আর আমি স্বপ্ন দেখতাম,
"কোন এক বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠের মাঝে একটা পাথুরে স্তম্ভ, তাতে তিনটে মুখ খোদাই করা, আমার মুখ, তিনটেই"
তাই তুমি জানতে চাইলে, আমি কি তোমায় স্বপ্ন দেখাতে পারি? বললাম, কেন নয়, হাতে হাত রাখো, তোমায় স্বপ্ন দেবো। হাতে হাত রাখলে, তোমার আঁধারের স্বপ্ন নিয়ে তোমায় আলোর স্বপ্ন দিলাম। আমার হাত তুমি আঁকড়ে ধরলে, ধরলাম আমিও। আমরা এক হলাম। তুমি স্বপ্ন দেখতে লাগলে-
"কোন এক অচিন দেশের রাজকুমার তোমায় নিয়ে রাজহাঁসের পিঠে চড়ে উড়ে যাচ্ছে মেঘের দেশে"
আমি সেই রাজকুমার হতে চাইলাম। তোমার জন্য রাজহাঁস আনতে চাইলাম। কিন্তু তুমি জানতেও চাইলে না আমি কি স্বপ্ন দেখছি। আমি স্বপ্ন দেখছি-
"এক অভিশপ্ত দেবতা, এক অভিশপ্ত রাজকন্যের হাত ধরে হাঁটছে অভিশাপের পথে"
লিখছি কবিতা-
কোন এক সময়
আমি ছিলাম তোমাদেরই একজন হয়ে
তোমরা ভালোবেসেছিলে আমায়
তারও আগে,
আরও, আরও আগে
আমি আরেকবার এসেছিলাম,
তখন তুমিও ছিলে,
আমি ভালোবেসেছিলাম তোমায়,
তাই তারা আমাদের অভিশাপ দিলো...............
মনে পড়ে? তোমায় বলেছিলাম, তুমি হাসলে, আমি নাকি ছেলেমানুষই রয়ে গেছি। আমি অবাক হলাম, মেনেও নিলাম, কিন্তু স্বপ্ন দেখা ছাড়তে পারলাম না। তুমিও আর জানতে চাইলে না, কি আমার স্বপ্ন, চাইলেনা তুমি আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যে হতে বরং অস্বীকার করলে, আমি তোমায় কখনও স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম, আমি আবারও অবাক হলাম, কিন্তু মেনে নিলাম।
আমি তখনও তোমার জন্য রাজহাঁস খুঁজে চলেছি, কিন্তু তুমি কোন এক অভিশপ্তের সাথে চলার চাইতে বরং সেই কোন এক রাজকুমার খুঁজতে চাইলে, তোমার স্বয়ংবরা। আমায় জানালে, আমি তখনও ভেবেছিলাম, অভিশাপের পথে তুমি চলবেই, হাঁটবেই হাত ধরে চিরকাল। শুধু এটুকু বুঝিনি, তোমার স্বপ্নের সেই রাজকুমার, তার রাজহাঁস নিয়ে তোমায় দেখা দিয়ে গ্যাছে।
কেন?
তুমি আর আমার প্রতীক্ষা করো না
কেন?
তোমার কথা আজ শুধুই শেষ হয়ে যায়
কেন?
তোমার ভালোবাসা আজ নির্বাসিত
কেন?
তুমি আজ ভালোবাসার ফুল পায়ে দল
কেন?
তুমি আর চাওনা হতে কল্পলোকের সঙ্গীনী
কেন?
তুমি আর আশ্রয় খোঁজনা প্রকৃতির মাঝে
কেন?
তুমি আজ শুধুই মানবী,
অভিশাপ নয়,
শুধুই আশীর্বাদ পেতে চাও
যখন জানলাম, বললাম, আমিও তোমায় রাজহাঁস এনে দেবো। বললে, আচ্ছা, তবে জলদি আনতে হবে, হাতে সময় নেই। বললাম, আনবো, শুধু একটু অপেক্ষা করো আমার জন্য। বললে, করবো। আমি আমার স্বপ্ন ফেলে তোমার স্বপ্নের রাজহাঁস খুঁজতে ছুটলাম, সময় কম। কিন্তু হঠাৎ জানি না কি হলো, আমায় না জানিয়েই তোমার স্বপ্নের রাজকুমারের সাথে রাজহাঁসে চড়ে বসলে। হঠাৎই তোমায় বিদায় জানাতে বললে। হতবুদ্ধি আমি অভিশাপের পথ থেকে বিদায় জানালাম তোমায়।
সম্বিত ফিরলো কদিন পরে, তোমায় জোরে ডাক দিয়ে বললাম, আমার সেই সবুজ মাঠের স্বপ্ন আমায় ফিরিয়ে দাও। কিন্তু রাজহাঁসের পিঠে চেপে তুমি তখন মেঘের দেশে, অনেএএএএক দূরে। এত দূরে, যে আমার সেই ডাক তোমার কানে পৌঁছালো না।
এখন আমি আর অভিশাপের পথে হাঁটবো না। এবার আমি শাপমোচন চাই। শাপমোচনের পথে চলার জন্য এবার আমি পঙ্খীরাজ ঘোড়া খুঁজবো
"আলো-আঁধারিতে নগ্ন তুমি শুয়ে আছো, শত শত নোংরা হাত এগিয়ে আসছে তোমার দিকে, সেই হাতগুলোর পেছনে শত শত কদর্য মুখ"
আর আমি স্বপ্ন দেখতাম,
"কোন এক বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠের মাঝে একটা পাথুরে স্তম্ভ, তাতে তিনটে মুখ খোদাই করা, আমার মুখ, তিনটেই"
তাই তুমি জানতে চাইলে, আমি কি তোমায় স্বপ্ন দেখাতে পারি? বললাম, কেন নয়, হাতে হাত রাখো, তোমায় স্বপ্ন দেবো। হাতে হাত রাখলে, তোমার আঁধারের স্বপ্ন নিয়ে তোমায় আলোর স্বপ্ন দিলাম। আমার হাত তুমি আঁকড়ে ধরলে, ধরলাম আমিও। আমরা এক হলাম। তুমি স্বপ্ন দেখতে লাগলে-
"কোন এক অচিন দেশের রাজকুমার তোমায় নিয়ে রাজহাঁসের পিঠে চড়ে উড়ে যাচ্ছে মেঘের দেশে"
আমি সেই রাজকুমার হতে চাইলাম। তোমার জন্য রাজহাঁস আনতে চাইলাম। কিন্তু তুমি জানতেও চাইলে না আমি কি স্বপ্ন দেখছি। আমি স্বপ্ন দেখছি-
"এক অভিশপ্ত দেবতা, এক অভিশপ্ত রাজকন্যের হাত ধরে হাঁটছে অভিশাপের পথে"
লিখছি কবিতা-
কোন এক সময়
আমি ছিলাম তোমাদেরই একজন হয়ে
তোমরা ভালোবেসেছিলে আমায়
তারও আগে,
আরও, আরও আগে
আমি আরেকবার এসেছিলাম,
তখন তুমিও ছিলে,
আমি ভালোবেসেছিলাম তোমায়,
তাই তারা আমাদের অভিশাপ দিলো...............
মনে পড়ে? তোমায় বলেছিলাম, তুমি হাসলে, আমি নাকি ছেলেমানুষই রয়ে গেছি। আমি অবাক হলাম, মেনেও নিলাম, কিন্তু স্বপ্ন দেখা ছাড়তে পারলাম না। তুমিও আর জানতে চাইলে না, কি আমার স্বপ্ন, চাইলেনা তুমি আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যে হতে বরং অস্বীকার করলে, আমি তোমায় কখনও স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম, আমি আবারও অবাক হলাম, কিন্তু মেনে নিলাম।
আমি তখনও তোমার জন্য রাজহাঁস খুঁজে চলেছি, কিন্তু তুমি কোন এক অভিশপ্তের সাথে চলার চাইতে বরং সেই কোন এক রাজকুমার খুঁজতে চাইলে, তোমার স্বয়ংবরা। আমায় জানালে, আমি তখনও ভেবেছিলাম, অভিশাপের পথে তুমি চলবেই, হাঁটবেই হাত ধরে চিরকাল। শুধু এটুকু বুঝিনি, তোমার স্বপ্নের সেই রাজকুমার, তার রাজহাঁস নিয়ে তোমায় দেখা দিয়ে গ্যাছে।
কেন?
তুমি আর আমার প্রতীক্ষা করো না
কেন?
তোমার কথা আজ শুধুই শেষ হয়ে যায়
কেন?
তোমার ভালোবাসা আজ নির্বাসিত
কেন?
তুমি আজ ভালোবাসার ফুল পায়ে দল
কেন?
তুমি আর চাওনা হতে কল্পলোকের সঙ্গীনী
কেন?
তুমি আর আশ্রয় খোঁজনা প্রকৃতির মাঝে
কেন?
তুমি আজ শুধুই মানবী,
অভিশাপ নয়,
শুধুই আশীর্বাদ পেতে চাও
যখন জানলাম, বললাম, আমিও তোমায় রাজহাঁস এনে দেবো। বললে, আচ্ছা, তবে জলদি আনতে হবে, হাতে সময় নেই। বললাম, আনবো, শুধু একটু অপেক্ষা করো আমার জন্য। বললে, করবো। আমি আমার স্বপ্ন ফেলে তোমার স্বপ্নের রাজহাঁস খুঁজতে ছুটলাম, সময় কম। কিন্তু হঠাৎ জানি না কি হলো, আমায় না জানিয়েই তোমার স্বপ্নের রাজকুমারের সাথে রাজহাঁসে চড়ে বসলে। হঠাৎই তোমায় বিদায় জানাতে বললে। হতবুদ্ধি আমি অভিশাপের পথ থেকে বিদায় জানালাম তোমায়।
সম্বিত ফিরলো কদিন পরে, তোমায় জোরে ডাক দিয়ে বললাম, আমার সেই সবুজ মাঠের স্বপ্ন আমায় ফিরিয়ে দাও। কিন্তু রাজহাঁসের পিঠে চেপে তুমি তখন মেঘের দেশে, অনেএএএএক দূরে। এত দূরে, যে আমার সেই ডাক তোমার কানে পৌঁছালো না।
এখন আমি আর অভিশাপের পথে হাঁটবো না। এবার আমি শাপমোচন চাই। শাপমোচনের পথে চলার জন্য এবার আমি পঙ্খীরাজ ঘোড়া খুঁজবো
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন