উপজেলা ইন্টার স্কুল ফুটবলের ফাইনাল আজ। আমাদের এমকেএসএম হাই'এর সাথে ভূষন পাইলটের ম্যাচ সেই কোন বারোবাজারে। আমাদের মত ফাইভ সিক্সে পড়া ছেলেদের আসলে এ নিয়ে মাথা ঘামিয়ে কোনই লাভ নেই। শুধু সকালে স্কুলের স্যারদের দেখেছি, ঐ বারবার ফেল করা, বছরে দু'বার ক্লাস করতে এসে জোড়া বেত খাওয়া ছেলেগুলোকে বাবা সোনা করছে। এটুকুও জানি, এই উপজেলায় আমরাই বেস্ট। বিকেলে যখন নামলাম বাইরে খেলতে, তখন সবে একটা ট্রাক ফিরলো চুড়ান্ত হৈ হৈ করতে করতে। পোলাপানের ভীড় ঠেলে এটুকুই জানতে পারলাম জিতেছি, ৫-২ এ ভরে দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্লেয়ারদের নিয়ে যেই ট্রাক আসার কথা সেটা তো আর ফেরে না, ফেরে না তো ফেরেই না। ৪ টা থেকে ৫ টা পার হয়ে গেল, ৬ টা বাজতে চললো, এসময় হঠাৎ একজনকে দেখা গেলো, সাইকেলের পেছনে বসে আসছে মাথায় ব্যান্ডেজ। ফের ঘিরে ধরা হলো, কি ব্যপার এক্সিডেন্ট? উদ্বিগ্ন আমরা। জানা গেলো, ভূষন পাইলট খেলায় হেরে গিয়ে আগেই রওনা দিয়েছিলো, আমাদের সুগার মিলের ৪/৫ কিলো আগে হাইওয়ের উপরে এম্বুশ পেতে বসে ছিলো, বরাবর আসতেই হামলা, পাথরবৃষ্টি। যে যার মত নেমে, আড়াল নেয়া, পাশে রেইললাইন, অঢেল পাথর, পালটা পাথর বৃষ্টি, এর মধ্যে খবর পেয়ে কালীগঞ্জ বাজারের নেমেসিস বলিদাপাড়ার ছেলেরা চলে এলো, আমরা দলে ভারি তখন, ওরা কেটে পড়লো। বলিদাপাড়ার ছেলেরা, গার্ড দিয়ে আমাদের ছেলেদের ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে চলে গেলো, মেইনগেট বন্ধ হচ্ছে, কালীগঞ্জের ২০/২৫ টা ছেলে কুড়োল, পাইপগান, হকিস্টিক নিয়ে। মেইনগেট তাড়াতাড়ি বন্ধ, আমাদের প্রচুর মানুষের জটলা, ওরা বোধহয় হুমকি ধামকি, একটা দুটো বিচি ফুটিয়ে চলে গেলো। বাঁচা গেলো, ঝামেলা মিটলো।
একটু জিওগ্রাফি আর হিস্ট্রি বুঝিয়ে দিই, টুক করে। খুলনা-কুষ্টিয়া হাইওয়ের উপরে, কালীগঞ্জ থানা, কালীগঞ্জ টাউন, এক দেড় কিলো দূরে হাইওয়ের উপরেই মোবারকগঞ্জ সুগার মিল, বিশাল রেসিডেনশিয়াল কলোনি, ৩০০/৩৫০ ফ্যামিলি। সুগারমিলের অপোজিটে বলিদাপাড়া গ্রাম। কালীগঞ্জ টাউন, ওয়েল তারা তো টাউন, পলিটিক্স তাদের, এডমিনিস্ট্রেশন তাদের তারা তো মানুষই ভাবে না কাউকে। বলিদাপাড়া অনেক বড় গ্রাম, আর এই গ্রামের প্রতি ২/৩ ঘরে একজন স্মাগলার, ওদের ভাবসাবই আলাদা, কাউকে চোদে না। কলোনি তো কলোনিই, বাইরের সাথে যোগাযোগ ঐ বাজারঘাট এটা ওটা এমন। বলিদাপাড়া আর কালীগঞ্জের পোলাপান বরাবরের নেমেসিস, কলোনির পোলাপানরে কেউ পাত্তাও দেয় না। সুগারমিল ছাড়িয়ে আধা কিলো গেলে, মেইনরোড থেকে ওয়াই এর মত একটা সাইড রোড কালীগঞ্জ বাজারের মধ্যে চলে গেলো, ঐ ওয়াই এর গোড়া হচ্ছে নো ম্যানস ল্যান্ড, ওপারে কালীগঞ্জ, এপারে বলিদাপাড়া।
ওটা তো ছিলো বিকালের ঘটনা, আমরা তারপরে, রাত পর্যন্ত ঐ নিয়েই মেতে থাকলাম, মারপিট মানেই হেব্বি ব্যাপার। ওহহ কি একটা দিন গেলো, আমরা ঘুমিয়ে গেলাম। পরদিন সকালে স্কুলে গিয়েই বলিদাপাড়া থেকে আসা ছেলেদের কাছে সোনা গেলো কেস জন্ডিস, আগেরদিন সন্ধ্যা ওখানকার একটা ছেলে কালীগঞ্জ বাজারে গিয়ে এই খেলা আর তার পরের ঘটনা নিয়ে হাসাহাসি করেছিলো, ওকে ধরে ঠিকসে ঠাপিয়েছে। রাতেই গ্রাম থেকে একটা গ্রুপ গিয়েছিলো খুঁজতে, কিন্তু পালটা ধাওয়া খেয়ে ফিরে এসেছে। থার্ড ক্লাস নাগাদ বলিদাপাড়ার ১৫/২০ টা ছেলে এসে দাবী করলো, স্কুল কালীগঞ্জ থেকে যেই ছেলেগুলো আসে, তাদেরকে বের করে ওর হাতে তুলে দিতে হবে। তাই হয় নাকি? হেডস্যার এসে ধমক টমক দিয়ে বিদায় করলো, কিন্তু ওখানেই শেষ হলো না ঘটনা। পরবর্তীতে কালীগঞ্জ থেকে আমাদের ক্লাসে যেই ৩ জন আসতো, তাদের বক্তব্য ছিলো, আমরা ওখানে শুনি, শুয়োরের বাচ্চারা মিলের স্কুলে পড়ে, এখানে শুনি শুয়োরের বাচ্চারা কালীগঞ্জে থাকে, আমরা কোথায় যাই?
পরের ২/৩ দিনে কেস জন্ডিস থেকে পুরো লিভার সিরোসিসে দাঁড়ালো। বলিদা পাড়ার ছেলে বাজারে পেলে ক্যালাচ্ছে, কালীগঞ্জের ছেলেকে বাস থেকে নামিয়ে ক্যালানো হচ্ছে। ৪ দিনের দিন মিল আর পাড়াকে কালীগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করা হলো, দেখলেই ক্যালানো হবে। চেকপোস্ট বসেছে, পাড়া থেকে বের হবার যত রাস্তা আছে। এবার দুই পক্ষের সামরিক শক্তির তুলণা সারি। মানে তুলণাই চলে না। পৌরসভার চেয়ারম্যান ওদের, থানা ওদের, বড় বড় মস্তান সব ওদের, অস্ত্রপাতি প্রচুউউউউউউর। সুগার মিলে সাকুল্যে সত্যিকারের ডেয়ারিং ছেলে শ' খানেক, তার ভিতরে ঝামেলাবাজ বড়জোর ৫০/৬০, গুলি ফোটে এমন কিছু, খুঁজে পেতে দুই তিন পিস পাওয়া যেতে পারে। বলিদা পাড়ার সব ছেলেই মারকুটে, ওরা স্মাগলিং করে, বহুদিন, শাড়ি, গরু, প্রেশারকুকার, আর্মস, সব। গ্রামে রেইড দিলে যখন তখন গোটা দশেক কাটা রাইফেল, ১০/১৫ টা ইন্ডিয়ান ফাইভস্টার পিস্তল, ৮/১০ টা ইন্ডিয়ান রিভলবার পাওয়া যায়, এগুলো সব সাপ্লাই যাওয়ার কথা, এর মধ্যে এসব। ওহো লোকাল এমপি এদিকের, তার আসতে এখনো দুই দিন, উফফফফফফফ। এটা যুদ্ধ হচ্ছে না, তাই এত অস্ত্র কোন কাজে লাগবে না, আর এগুলো মারামারির জন্য না, বেচার জন্য।
শুক্রবার এমপি আসবে বিকালে মিটিং, ফয়সলা হবে, এমন সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় একশন ফিক্সড হয়ে গেলো। ঐ ওয়াই এর কাছে ফাইটিং হবে।
ট্যাকটিকাল লোকেশন:
৬০ ফিট হাইওয়ে, কালীগঞ্জের হাতে পচ্চুর ম্যানপাওয়ার প্লাস পুলিশ, কিন্তু ওরা ফাঁকা পথে, খোলা রাস্তায়। আর এদিকে বাম পাশে মিলের বাউন্ডারি, পরে নিচু ঢালু ড্রেন, ডানপাশে নিজেদের গ্রাম, মানে পুরো দূর্গ।
ওরা ১০০/১৫০ + এক স্কোয়াড পুলিশ, বলিদাপাড়ার ৫০ টা ছেলে, +সুগার মিলের ২০/২২। এদিকে রাস্তার পাশে বিরাট মোটা মোটা রেন্ট্রি, কড়াই গাছ। আমাদের বিল্ডিংগুলো তিনতলা, বাউন্ডারি বেশি দূরে না, আমরা সবাই বিল্ডিং এর ছাদে, গ্যালারি, ঐ ছোটাছুটি, দুই পক্ষই নিজেদের এরিয়ায়, আরে ভাই যুদ্ধ , হাইওয়ে বন্ধ ৪ ঘন্টা। পুলিশ একের পর এক টিয়ার শেল ছুঁড়ছে, ওরা ৮/১০ জন, খুব সম্ভব পাইপ গান, ২/৩ টে রিভলবারও নাকি ছিলো, উপরের দিকে ফায়ার, এদের থেকে দুই তিনটা গুলি উপরের দিকে জবাব, রিভলবার, একদমই হালকা, ২৫ গজের পরে কাজ হয় কিনা সন্দেহ।, যাই হোক, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানী তে, এদের কাছে ৪/৫ রিভলবার আর, ২ টো কাটা ছিলো। ওহহহহ, সেই কালের লিজেন্ডারি কাটা রাইফেল, থ্রিনটথ্রি রাইফেলের ব্যারেল আর বাঁট কেটে পিস্তল গ্রিপে ম্যাগাজিনওলা খাটো রাইফেল, তখন হেব্বি পপুলার (ছবি নিচে)। তো, প্রায় ১০০ গজ দূরে, পাইপগানের গুলিও অতদূর যায় না, ঐ রিভলবারেরও না, । তো অতি উৎসাহী বলিদা পাড়া একটা চকচকে কাটা তুললো ড্রেনের খাদ থেকে, পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর একটা ছেলের হাত থেকে পাইপগান নিয়ে লোড করে চালিয়ে বললো, শুয়োরের বাচ্চা কাটা নামা, বাঞ্চোত কাটা পুটকি দিয়ে ভরে দেবো।
যা তা, যা তা, যাই হোক এমপি দুপুরেই ফিরলো, তখনই মিটিং, এমপি, চেয়ারম্যান, কমিশনার, সুগারমিলের এমডি, আর বাল ছাল, মিটিং করলো তখনই। সব মিটমাট করা হলো, মিটে গেলো। সবাই কোলাকুলি, ভাই ভাই, ভাই ভাই এবং ডিসিশন হলো সুগারমিল স্কুল আর কখনো ইন্টার স্কুল খেলবে না।
একটু জিওগ্রাফি আর হিস্ট্রি বুঝিয়ে দিই, টুক করে। খুলনা-কুষ্টিয়া হাইওয়ের উপরে, কালীগঞ্জ থানা, কালীগঞ্জ টাউন, এক দেড় কিলো দূরে হাইওয়ের উপরেই মোবারকগঞ্জ সুগার মিল, বিশাল রেসিডেনশিয়াল কলোনি, ৩০০/৩৫০ ফ্যামিলি। সুগারমিলের অপোজিটে বলিদাপাড়া গ্রাম। কালীগঞ্জ টাউন, ওয়েল তারা তো টাউন, পলিটিক্স তাদের, এডমিনিস্ট্রেশন তাদের তারা তো মানুষই ভাবে না কাউকে। বলিদাপাড়া অনেক বড় গ্রাম, আর এই গ্রামের প্রতি ২/৩ ঘরে একজন স্মাগলার, ওদের ভাবসাবই আলাদা, কাউকে চোদে না। কলোনি তো কলোনিই, বাইরের সাথে যোগাযোগ ঐ বাজারঘাট এটা ওটা এমন। বলিদাপাড়া আর কালীগঞ্জের পোলাপান বরাবরের নেমেসিস, কলোনির পোলাপানরে কেউ পাত্তাও দেয় না। সুগারমিল ছাড়িয়ে আধা কিলো গেলে, মেইনরোড থেকে ওয়াই এর মত একটা সাইড রোড কালীগঞ্জ বাজারের মধ্যে চলে গেলো, ঐ ওয়াই এর গোড়া হচ্ছে নো ম্যানস ল্যান্ড, ওপারে কালীগঞ্জ, এপারে বলিদাপাড়া।
ওটা তো ছিলো বিকালের ঘটনা, আমরা তারপরে, রাত পর্যন্ত ঐ নিয়েই মেতে থাকলাম, মারপিট মানেই হেব্বি ব্যাপার। ওহহ কি একটা দিন গেলো, আমরা ঘুমিয়ে গেলাম। পরদিন সকালে স্কুলে গিয়েই বলিদাপাড়া থেকে আসা ছেলেদের কাছে সোনা গেলো কেস জন্ডিস, আগেরদিন সন্ধ্যা ওখানকার একটা ছেলে কালীগঞ্জ বাজারে গিয়ে এই খেলা আর তার পরের ঘটনা নিয়ে হাসাহাসি করেছিলো, ওকে ধরে ঠিকসে ঠাপিয়েছে। রাতেই গ্রাম থেকে একটা গ্রুপ গিয়েছিলো খুঁজতে, কিন্তু পালটা ধাওয়া খেয়ে ফিরে এসেছে। থার্ড ক্লাস নাগাদ বলিদাপাড়ার ১৫/২০ টা ছেলে এসে দাবী করলো, স্কুল কালীগঞ্জ থেকে যেই ছেলেগুলো আসে, তাদেরকে বের করে ওর হাতে তুলে দিতে হবে। তাই হয় নাকি? হেডস্যার এসে ধমক টমক দিয়ে বিদায় করলো, কিন্তু ওখানেই শেষ হলো না ঘটনা। পরবর্তীতে কালীগঞ্জ থেকে আমাদের ক্লাসে যেই ৩ জন আসতো, তাদের বক্তব্য ছিলো, আমরা ওখানে শুনি, শুয়োরের বাচ্চারা মিলের স্কুলে পড়ে, এখানে শুনি শুয়োরের বাচ্চারা কালীগঞ্জে থাকে, আমরা কোথায় যাই?
পরের ২/৩ দিনে কেস জন্ডিস থেকে পুরো লিভার সিরোসিসে দাঁড়ালো। বলিদা পাড়ার ছেলে বাজারে পেলে ক্যালাচ্ছে, কালীগঞ্জের ছেলেকে বাস থেকে নামিয়ে ক্যালানো হচ্ছে। ৪ দিনের দিন মিল আর পাড়াকে কালীগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করা হলো, দেখলেই ক্যালানো হবে। চেকপোস্ট বসেছে, পাড়া থেকে বের হবার যত রাস্তা আছে। এবার দুই পক্ষের সামরিক শক্তির তুলণা সারি। মানে তুলণাই চলে না। পৌরসভার চেয়ারম্যান ওদের, থানা ওদের, বড় বড় মস্তান সব ওদের, অস্ত্রপাতি প্রচুউউউউউউর। সুগার মিলে সাকুল্যে সত্যিকারের ডেয়ারিং ছেলে শ' খানেক, তার ভিতরে ঝামেলাবাজ বড়জোর ৫০/৬০, গুলি ফোটে এমন কিছু, খুঁজে পেতে দুই তিন পিস পাওয়া যেতে পারে। বলিদা পাড়ার সব ছেলেই মারকুটে, ওরা স্মাগলিং করে, বহুদিন, শাড়ি, গরু, প্রেশারকুকার, আর্মস, সব। গ্রামে রেইড দিলে যখন তখন গোটা দশেক কাটা রাইফেল, ১০/১৫ টা ইন্ডিয়ান ফাইভস্টার পিস্তল, ৮/১০ টা ইন্ডিয়ান রিভলবার পাওয়া যায়, এগুলো সব সাপ্লাই যাওয়ার কথা, এর মধ্যে এসব। ওহো লোকাল এমপি এদিকের, তার আসতে এখনো দুই দিন, উফফফফফফফ। এটা যুদ্ধ হচ্ছে না, তাই এত অস্ত্র কোন কাজে লাগবে না, আর এগুলো মারামারির জন্য না, বেচার জন্য।
শুক্রবার এমপি আসবে বিকালে মিটিং, ফয়সলা হবে, এমন সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় একশন ফিক্সড হয়ে গেলো। ঐ ওয়াই এর কাছে ফাইটিং হবে।
ট্যাকটিকাল লোকেশন:
৬০ ফিট হাইওয়ে, কালীগঞ্জের হাতে পচ্চুর ম্যানপাওয়ার প্লাস পুলিশ, কিন্তু ওরা ফাঁকা পথে, খোলা রাস্তায়। আর এদিকে বাম পাশে মিলের বাউন্ডারি, পরে নিচু ঢালু ড্রেন, ডানপাশে নিজেদের গ্রাম, মানে পুরো দূর্গ।
ওরা ১০০/১৫০ + এক স্কোয়াড পুলিশ, বলিদাপাড়ার ৫০ টা ছেলে, +সুগার মিলের ২০/২২। এদিকে রাস্তার পাশে বিরাট মোটা মোটা রেন্ট্রি, কড়াই গাছ। আমাদের বিল্ডিংগুলো তিনতলা, বাউন্ডারি বেশি দূরে না, আমরা সবাই বিল্ডিং এর ছাদে, গ্যালারি, ঐ ছোটাছুটি, দুই পক্ষই নিজেদের এরিয়ায়, আরে ভাই যুদ্ধ , হাইওয়ে বন্ধ ৪ ঘন্টা। পুলিশ একের পর এক টিয়ার শেল ছুঁড়ছে, ওরা ৮/১০ জন, খুব সম্ভব পাইপ গান, ২/৩ টে রিভলবারও নাকি ছিলো, উপরের দিকে ফায়ার, এদের থেকে দুই তিনটা গুলি উপরের দিকে জবাব, রিভলবার, একদমই হালকা, ২৫ গজের পরে কাজ হয় কিনা সন্দেহ।, যাই হোক, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানী তে, এদের কাছে ৪/৫ রিভলবার আর, ২ টো কাটা ছিলো। ওহহহহ, সেই কালের লিজেন্ডারি কাটা রাইফেল, থ্রিনটথ্রি রাইফেলের ব্যারেল আর বাঁট কেটে পিস্তল গ্রিপে ম্যাগাজিনওলা খাটো রাইফেল, তখন হেব্বি পপুলার (ছবি নিচে)। তো, প্রায় ১০০ গজ দূরে, পাইপগানের গুলিও অতদূর যায় না, ঐ রিভলবারেরও না, । তো অতি উৎসাহী বলিদা পাড়া একটা চকচকে কাটা তুললো ড্রেনের খাদ থেকে, পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর একটা ছেলের হাত থেকে পাইপগান নিয়ে লোড করে চালিয়ে বললো, শুয়োরের বাচ্চা কাটা নামা, বাঞ্চোত কাটা পুটকি দিয়ে ভরে দেবো।
যা তা, যা তা, যাই হোক এমপি দুপুরেই ফিরলো, তখনই মিটিং, এমপি, চেয়ারম্যান, কমিশনার, সুগারমিলের এমডি, আর বাল ছাল, মিটিং করলো তখনই। সব মিটমাট করা হলো, মিটে গেলো। সবাই কোলাকুলি, ভাই ভাই, ভাই ভাই এবং ডিসিশন হলো সুগারমিল স্কুল আর কখনো ইন্টার স্কুল খেলবে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন