প্যাগান ঈশ্বরেরা দিব্যি ছিলো হাজার হাজার বছর। মিশর থেকে সিন্ধু উপত্যাকা হয়ে মেডিটেরিয়ান, ঈশ্বর নিজের রূপের সাথে লড়াই করতেই ব্যস্ত থাকতো, প্রায় সমান শক্তিধর ভিলেন টিলেনও থাকতো, মানুষের পোঁদের দিকে নজর থাকতো কম, আর ঈশ্বরগুলো মানুষের লেভেলের অনেক কাছাকাছি ছিলো, কখনো কখনো মানুষও ঈশ্বরের উপরে উঠে যেত কর্মের বলে। ঈশ্বরের সাথে মানুষের সম্পর্ক ছিলো পার্সোনাল লেভেলে। ঈশ্বরকে সর্বশক্তিমান করে তোলার কাজ প্রথম হাতে নিয়েছিলো জরাথ্রুস্টিয়ানরা, ওরা একেবারেই সাদা আর কালো বানিয়ে দিলো ঈশ্বরকে আহুর মাজদা আর আহরিমান। তাও অন্তত সমশক্তির কেউ ছিলো ব্যস্ত থাকার মত।
আব্রাহামিক রিলিজিওন এসে ঈশ্বরকে একদম ঈশ্বরের চাইতেও বেশি ক্ষমতা দিয়ে দিলো, ঈশ্বর হয়ে উঠলো মহাপরাক্রমশালী, কিন্তু একা, ফ্রাস্ট্রেটেড, সুতরাং মানুষের উপরেই সমস্ত কিছু ঢালতে হবে, ড়্যাথ অফ গড। সেই সাথে প্রয়োজন পড়লো দালালের, আব্রাহাম তো বটেই, নামেই আব্রাহামিক ধর্ম, শুরু তো মোজেস এর হাতে, প্রথম এক ঈশ্বর, এবং সোল এজেন্ট শ্রেণী তৈরী হলো, আশেপাশের এলাকায় যত কিংবদবন্তী ছিলো সব ঈশ্বর আর তার সোল এজেন্টদের কর্ম হয়ে গেল,। সেও একরকম ভালো ছিলো, বাইরে থেকে ভেতরে আসার সুযোগ ছিলো না, ঐ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অল্প কটা লোকের জন্যই থাকতো। । কিন্তু না, রোমানদের খুব দরকার হয়ে পড়লো যেন জুপিটারের চাইতেও শক্তিশালী ঈশ্বর। ইহুদীদের মেরে কেটে খেদিয়ে, ইহুদীদের ঈশ্বরকেই দখল করে বসলো, এক্সটেনশন করে দিলো ঈশ্বরকে। কিন্তু মজাটা হলো ঈশ্বরকে এরা তাও অভ্যাসবশত: শেয়ারিং করতে দিয়েছিলো,।
আরবরা একদম সিল করে দিলো ঈশ্বর আর মানুষের সম্পর্ককে। একজন মাত্র মানুষ ছাড়া ঈশ্বরের সাথে আরর কারো কোন সম্পর্ক নেই। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বললেই চলবে না, সাথে বলতে হবে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। মুহাম্মদই শেষ কথা। ঈশ্বর একেবারেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। এবং হয়ে পড়লেন কনফিউজড, টপ করে টেন কমান্ডমেন্টস ফেলে দেয়া ঈশ্বর বুড়ো হয়েছেন বোঝা গেল, এখন এক কথা বলেন তখন আরেক কথা, খুব বেশিদিন কিন্তু গেলো না, এই ২/৩ শ' বছর। তারপরে আর ঈশ্বরের অস্তিত্বই রইলো না, শত শত মত, শত শত পথ, এখন, কিসের ঈশ্বর, আপাতত: কোথাও নেই।
আব্রাহামিক রিলিজিওন এসে ঈশ্বরকে একদম ঈশ্বরের চাইতেও বেশি ক্ষমতা দিয়ে দিলো, ঈশ্বর হয়ে উঠলো মহাপরাক্রমশালী, কিন্তু একা, ফ্রাস্ট্রেটেড, সুতরাং মানুষের উপরেই সমস্ত কিছু ঢালতে হবে, ড়্যাথ অফ গড। সেই সাথে প্রয়োজন পড়লো দালালের, আব্রাহাম তো বটেই, নামেই আব্রাহামিক ধর্ম, শুরু তো মোজেস এর হাতে, প্রথম এক ঈশ্বর, এবং সোল এজেন্ট শ্রেণী তৈরী হলো, আশেপাশের এলাকায় যত কিংবদবন্তী ছিলো সব ঈশ্বর আর তার সোল এজেন্টদের কর্ম হয়ে গেল,। সেও একরকম ভালো ছিলো, বাইরে থেকে ভেতরে আসার সুযোগ ছিলো না, ঐ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অল্প কটা লোকের জন্যই থাকতো। । কিন্তু না, রোমানদের খুব দরকার হয়ে পড়লো যেন জুপিটারের চাইতেও শক্তিশালী ঈশ্বর। ইহুদীদের মেরে কেটে খেদিয়ে, ইহুদীদের ঈশ্বরকেই দখল করে বসলো, এক্সটেনশন করে দিলো ঈশ্বরকে। কিন্তু মজাটা হলো ঈশ্বরকে এরা তাও অভ্যাসবশত: শেয়ারিং করতে দিয়েছিলো,।
আরবরা একদম সিল করে দিলো ঈশ্বর আর মানুষের সম্পর্ককে। একজন মাত্র মানুষ ছাড়া ঈশ্বরের সাথে আরর কারো কোন সম্পর্ক নেই। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বললেই চলবে না, সাথে বলতে হবে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। মুহাম্মদই শেষ কথা। ঈশ্বর একেবারেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। এবং হয়ে পড়লেন কনফিউজড, টপ করে টেন কমান্ডমেন্টস ফেলে দেয়া ঈশ্বর বুড়ো হয়েছেন বোঝা গেল, এখন এক কথা বলেন তখন আরেক কথা, খুব বেশিদিন কিন্তু গেলো না, এই ২/৩ শ' বছর। তারপরে আর ঈশ্বরের অস্তিত্বই রইলো না, শত শত মত, শত শত পথ, এখন, কিসের ঈশ্বর, আপাতত: কোথাও নেই।
এত চিন্তা শক্তি,সত্যিই আপনি অসাধারন
উত্তরমুছুন